Thursday, April 4, 2019

Wheeling All the Way

I could see the finish line at far – the flags flowing wildly with the wind. I pushed at the pedals further, pulling all I had in my reserve, every last bit of it. And the wind started whooshing past me, all my sensations narrowed down to the blurred wheel in front of me, and the blurred-out white line of the road.

It all got fuzzy.
One year ago from this day, when we all started our preparation for one of the toughest hilly race of the country, which lasts for three days, and nights, we started with pure energy. It's not a very easy task to keep the same momentum for an entire year, and the year passed by with highs and lows, and we flactuated between energy and apprehension. But the one thing that was constant throughout this preparation phase was the determination.

Someone once said, you can not be motivated every day, and in those days, discipline takes you forward.

It's the same discipline that made us going while the unexpected happened.

Nothing goes all planned in life, and sports is part of life. That's why it was purely shocking when I toppled with a fraction of second's decision of braking, and ended up in a thorny bush, dangling 10 meter from the diving edge of Sahyadri. That's why Tamal went into an asthmatic attack with the tension of that incident.

Life never goes planned.

But a true sportsperson's spirit is to refuse to give up.

We never know what's lie ahead of us, what's our future. But then, why not create it, if you want to be certain. And that's exactly we had to do at the moment of crisis. Bravery was the only option at that time, and oh boy, bravery was what all showed. The rushing crews, the fanatic co-riders, and the human spirits all around, we were ready in the next 15 minute.

15 minute behind the race, and an unfathomable amount of psychological uphill to climb.

We raced on.

Days were hot, burning the scratches from the thorns, and the nights were cooler, providing reliefe – I told you, life is all ups and downs.

It was a race against time, a race against our own mental barriers. But we fought together.
I refocused on the road, wheeling like a rocket.

A few more meters to go – a hundred, two-hundred? There was no one in front to chase, it was just me and the finish line.

I looked back.

I smiled.

And then I was home.

Sunday, January 13, 2019


সেন্টার টেবিলের উপর রাখা ফোনটার দিকে আরেকবার তাকালেন অমিয়বাবু।

বারান্দা থেকে সকালের হালকা আলো এসে পড়েছে ফোনটার উপর।

গত সপ্তাহ অবধি বলেছে নম্বরটা সুইচড অফ।

অমিয়বাবুর কলেজের বন্ধু, তমালের।

এর আগে শেষ এরকম হয়েছিল স্কুলের বন্ধু অসীমের ক্ষেত্রে, প্রায় মাসখানেক অপেক্ষা করতে হয়েছিল!

আর ভাস্করের জন্যে, দিন দশেক। ভাস্করের ছেলে বাপের মতই নিয়মনিষ্ঠ, কাজ ফেলে রাখত না একদম।

ফোনটা হাতে তুলে নিলেন অমিয়বাবু। 

ডায়াল করলেন আরেকবার, গত সপ্তাহে করা তমালের নম্বর।


অসীমের ক্যান্সার হয়েছিল, ছ'বছর আগে, লাস্ট স্টেজ। ভাস্করের অফিস ক্যাব, বম্বে রোডে ট্রাকের সাথে হেড-অন কলিশন করে, দু'বছর হল।

সেকেন্ড দশেক পরে হাসি ফুটে উঠল অমিয়বাবুর ঠোঁটের কোণে। 

ফোনের থেকে শোনা যাচ্ছে - "এই নম্বরের কোনো অস্তিত্ব নেই..."।

ফোনটা হাতে নিয়ে কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখলেন চোখের সামনে। তারপর, কয়েকটা ট্যাপ করে মুছে দিলেন বন্ধুর নম্বর।

ফোনের স্ক্রীনে কালো অক্ষরে ফুটে উঠল কয়েকটা শব্দ - " ইয়োর ফোনবুক ইজ নাউ এম্পটি"।